আমাদের বাড়িতে যে কাঁথাটা ছিল, তার সেলাই তিন রকম। মাঝখানটা ঘন, প্রান্তের দিকে ঢিলে, আর এক কোণে সেলাই হঠাৎ থেমে গিয়েছে।
ঠাকুমা বলতেন, কাঁথা কখনও একজনে শেষ করে না। একজন শুরু করেন, আরেকজন এগিয়ে নিয়ে যান। যে থামিয়ে দেন, তাঁরও একটা কারণ থাকে।
এই সেলাইগুলো পড়তে শিখলে বোঝা যায়, কাঁথা আসলে একটা নথি। কোন বছর কার হাত কেঁপেছিল, কোন শীতে সময় কম ছিল, সব লেখা থাকে সুতোয়।



